Showing posts with label Bangla. Show all posts
Showing posts with label Bangla. Show all posts

Thursday, 8 December 2016

পাড়ার মেয়ে



“পাড়ার মেয়ে” শব্দ জোড়াটা আজকাল প্রায় উঠেই গেছে বলা চলে। কোন বাড়ির মেয়ে, বড়জোর। অর্থাৎ কিনা, বাবা কাকা কেউ যদি পলিটিক্সে থাকেন বা অন্তত সিভিল সার্ভিসে, অথবা ডাক্তার উকিল কিছু একটা পারিবারিক বংশপরাক্রমে। একটু বড় হলে কোন স্কুলে দিলে গো মেয়েকে, বা কোন কলেজে চান্স পেলো, কোন সাব্জেক্ট? আবার, আর একটু বড় হলে মিসেস হেনা তেনা কিছু একটা, যাবতীয় লিঙ্গ সাম্যের মুখে চুনকালি মাখিয়ে। অফিসের ব্যাপারটা আবার আলাদা, ডিপার্টমেন্ট দিয়ে নামে চেনা যায়, ভিজিটিং কার্ডে একঝলকেই আন্দাজ করে নেওয়া যা কি বা তাঁর পড়াশোনা, কদ্দুর কি ক্ষমতা। বাচ্চার স্কুলে সেই বাচ্চার মা, ওই যে, ছোট করে চুল কাটা, বা একটু মোটার দিকে চেহারা। পরিচয় অনেক রকমেরই হয় বইকি। সব কিছু পেরিয়ে আবার এও জানা হয়ে যায় যে পরিচয় শব্দটাই একটা আগাগোড়া ভুল ধারণা, পুরো জীবনটাই আসলে নিজেকে খুঁজে ফেরার অলি গলি পাকস্থলী। তবু… 

তবু, এই বচ্ছরকার শীতকালের সময়টায় যে নিয়ম করে “ওমা, কবে এলি?“, হোক না মাত্র কটা দিনের জন্যই। অতীতের মায়া দিয়ে ঘেরা এই ব্যাক্তিচর্চা, এক নিশ্বাসে অনেকগুলো বছর অতিক্রম করে যায় চক্ষের নিমেষে। পাড়ার মেয়ে পরিচয়টা, আগের মতই এখনও, ডাকনামের উষ্ণতা নিয়ে ঘিরে থাকে আমার শীতকাল।



Tuesday, 22 November 2016

কে এই ভিকি রায়?

This post was first published in Rabibashoriyo, Anandabazar Patrika



২০০৮ সালে, গোটা বিশ্ব থেকে চার জন ফোটোগ্রাফারকে বাছা হয়েছিল, নিউ ইয়র্কে গিয়ে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের পুনর্নির্মাণের ফোটো-ডকুমেন্টেশনের জন্য। নির্বাচিত চার জনের দুজন আমেরিকা থেকে, এক জন হংকংয়ের। আর চতুর্থ জন, ভারত থেকে। ভারত থেকে? কই, শুনিনি তো!

Tuesday, 18 October 2016

Bring My Flowers!


কোম্পানির নাম - Bring My Flowers। শুনতে কিরকম জানি একটা, প্রথমে ভেবেছিলাম। “বেয়ারা, চালাও ফোয়ারা!” গোছের, উদ্ধত। আহা, ফুলের দোকান যখন ফুলকুমারী নাম রাখলেই পারে!


বাড়ি বয়ে ফুল দিয়ে যায় ওরা, প্রতি সপ্তাহে। সই করে দি, বুঝিয়া-পাইলাম এই মর্মে।


তবে ফুলগুলো খুব একটা আমার বুঝিয়া পাইবার ধার ধারে না। সোজা চাবুকের মতন চেহারা, ইয়া লম্বা লম্বা ডাঁটি, গরবিনী রাজহংসীর মতন গ্রীবা। রোজ তলা থেকে দু আঙুল ডাঁটি কেটে দিতে হয়, আর জল বদলে দিতে হয় নিয়ম করে। ভুলে গেলেই অভিমান, মুখ কালো হয়ে যায় সবার। সপ্তাহে একদিন করে ডিটারজেন্ট দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে ফুলদানি, ওরা নির্দেশ দিয়ে গেছে।  ফুলদানি? গোল কাঁচের ঘর ওদের, সান-রুফ সমেত। ফুলদানির খোলা আকাশ দিয়ে কৌতূহলী মুখ বাড়িয়ে থাকে ফুলগুলো, আমার দিকে চেয়ে থাকে অবাধ বিস্ময়ে। ওদের নতুন মালিক, নাকি? অত সহজ, ফুলের মালিক হওয়া? ফুলের মালিক কেউ হয় নাকি, কোনদিন? হলে হওয়া যায় বড়জোর মালি! তাই অপটু মালির মতন আমি ওদের জল দিয় গ্লাস ভরে, নতুন অতিথির মত করে। ওরা হাসে। হাসতে হাসতে ঢলে পড়ে এর ওর গায়ে। আমি ওদের বাড়তে দেখি, কমতে দেখি। প্রতিদিন।

Tuesday, 11 October 2016

আবার আসিস, মা!

পুজোর পাঁচটা দিন জুড়ে মাটির মূর্তিগুলো হয়ত নেহাতই উপলক্ষ্য মাত্র। হাসি ঠাট্টা, নাচ গান আনন্দ, মায়ে ফ্যাশন-শো আর র‍্যাম্প ওয়াক, সবাই মিলে খুব খানিকটা ভালো থেকে নেওয়া। চুটিয়ে!



Wednesday, 31 August 2016

ও মেয়ে, জলকে চল!


গর্ভিণী মেঘ হাওয়ায় ভাসে
আকাশপথের যান -
বাস্প চিরে বজ্র ডাকে,
তাও - অটুট অভিমান!


আকাশ জোড়া আলোর হদিশ,
নিরুদ্দেশে প্রাণ।
একূল ওকূল ছাপিয়ে পড়ে,
ঝাঁপিয়ে পড়ে বান!

Monday, 1 August 2016

বিতানকে...

আজকে অনেক, অনেকদিন পরে হঠাৎ করেই তোকে স্বপ্নে দেখলাম - কেন, কে জানে! তোকে কি মিস করছিলাম? কি জানি, আলাদা করে বুঝতে পারিনি তো একবারও। তুই আছিস, থাকবি, এরকমই তো হওয়ার কথা… আলাদা করে কবে, কখন, কেন, এসব কিছু ভাবতে বসিনি তো কখনই! কিন্তু আজকে যেরকম আচমকা হানা দিলি পুরো স্বপ্নটা জুড়ে… কি প্ল্যান বলত, তোর?


Sunday, 24 July 2016

“সৃষ্টিকর্তার অট্টহাসি!”

(১)

আমার বিয়ের সময় অনির্বাণের কয়েকজন বন্ধু বড়কাকাকে দেখে বেশ চমকে গিয়ে বলেছিলঃ “উরিব্বাস! ইনি কে জানিস? এ কে বাসু! ইউনিভার্সিটিতে সবাই এনাকে ভগবান বলে মানে।“ আমি অবাক হয়ে বলেছিলাম, “ধুর! ওটা তো বড়কাকা!” ১৮ই জুলাই ২০১৬ তে অর্থাৎ বড়কাকার কাজের দিন ঠিক সেই ব্যাপারটাই আবার হল। নানান ক্ষেত্র থেকে অতিথিরা এসেছেন যারা বড়কাকাকে শ্রদ্ধা করতেন, ভালবাসতেন, তাঁরা “স্যর” বলে উল্লেখ করে নানা কিছু স্মৃতিমন্থন করছেন, অতীতচারণা – ইউনিভার্সিটির কথা, ওনার পড়ানোর কথা… আর আমার মনে হচ্ছে - “ধুর! ওটা তো বড়কাকা!”



বড়কাকাকে নিয়ে লিখতে হবে। কিন্তু যাই লিখবো, মনে হবে যেটা বলতে চাই সেটা বলা হলনা। বড়কাকাকে ডেস্ক্রাইব করার চেষ্টা করাটাও বোধ হয় – সে যতই পাতার পর পাতা ভর্তি করে লিখি না কেন – শেষে ওই অন্ধের হাতি দেখাতেই পরিণত হবে। আসল কথাটা হল,  বড়কাকা মানুষটার ব্যাপ্তি আর গভীরতা দুটোই এতটাই বেশি, যে একটা সামান্য লেখায় ওনার স্মৃতিকে ধরতে যাওয়ার চেষ্টা করাটাই বাতুলতা, অথবা হয়ত একপ্রকার ইঞ্জাস্টিস করা। বড়কাকা একটা প্রিজমের মতন – এক একদিক থেকে আলো ফেললে এক একরকমের রামধনু-রং বিচ্ছুরিত হয়, আর তার প্রত্যেকটাই আপন দ্যূতিতে উজ্জ্বল!


তবু, বিন্দু বিন্দু দিয়ে সিন্ধু ধারণ করার একটা অক্ষম প্রয়াস…

Tuesday, 8 March 2016

নারীবাদ vs নারী বাদ

Guest-post, by Anirban. On International Women's Day!


“পুত্র রাজনীতি বড় কূট। এবয়সে তা বুঝবেনা। বোঝবার চেষ্টা কোরোনা।” আজকের মহম্মদ হয়ে বড় জানতে ইচ্ছা করে, রাজনীতি কি শুধু সংসদ, বিধানসভা ও নানান জনপ্রতিনিধি সভাতেই সীমাবদ্ধ? স্কুল, অফিস, কাছারির থেকেও যে রাজনীতি প্রাচীন ও চিরকালীন – সেহল "রান্নাঘরের রাজনীতি"। রান্নার ব্যবস্থা, রন্ধনপ্রণালী, রান্না করা খাবারের ভাগ সবকিছুর মধ্যেই যে তীব্র রাজনীতির আকর সেই রাজনীতিই এ সমাজের পুরুষতন্ত্রের আকর। 




নিজেদের প্রাধান্য টিকিয়ে রাখার এহেন পন্থা অসামান্য। “খিড়কি থেকে সিংহদুয়ার” এ বেধে দাও।তারপর নিজেরাই “সাস ভি কভি বহু থি” হয়ে আমরা যা পাইনি তা তোমরা পাবে না নীতিতে চলে যাবে। “ঘরের লক্ষ্মী”, “মাতৃরূপিনী” এসব ছেড়ে কি নারীকে রক্তমাংসের একজন মানুষ হিসেবে ভাবতে খুব অসুবিধা? সে দেবী নয়, সে বেশ্যা নয় – আমার মত একজন মানুষ। এত insecurity কিসের? জন্মানোর আগেই ভ্রূণ অবস্থাতেই মেরে ফেলো! ছোটবেলা থেকেই তাদের মাথায় ঢুকিয়ে দাও তারা নিকৃষ্ট! জীবনের অন্যতম মোক্ষ বিয়ে আর স্বামীর ঘর।



Sunday, 3 January 2016

এই তবে... আরশিনগর!!?



সোজা রিভিউয়ে ডাইভ মারার আগে দু-একটা কথা বলে নেওয়া আবশ্যক। অর্থাৎ কিনা – আরশিনগর – চারিদিকে এতো সব শোনার পরেও – আদৌ দেখলাম কেন। দেখলাম, তার কারণটা ওই... বাঙালি রক্তদোষ। সবাই খারাপ বলছে, আমি আমি ততই ভাবছি – আর আপামর প্রত্যেকটা ভেতো বাঙালির মতন করেই, যে – ছ্যাঃ, ওই ব্যাটারা নিশ্চয়ই বোঝেনি... আমি তো ইয়ে, যাকে বলে গিয়ে... আমি, মানে, নিশ্চয়ই বুঝবো! অপর্ণা সেন আফটার অল, যিনি কিনা পরমা, পারমিতা, শনকা ভেবেছেন একদা, তিনি কি করেই বা কতই বা... ভুল, ভুল! আমি বুঝিনি!! সত্যি বলতে কি, এখন দেখার পর থেকে একটা অন্যরকম সন্দেহ হচ্ছে – টাইটেলকার্ডটা ভুল পড়িনি তো? মানে, অপর্ণা সেন... উনিই তো...?





এবারে রিভিউয়ে আসা যাক, শেষমেশ।

Tuesday, 22 September 2015

Epitaph / এপিটাফ


- তুমি সুখ উপলব্ধি করেছ?

- করেছি তো।

- সত্যি বলছ?

- সত্যিই!

- তাহলে বলো, কেমন সে অনুভূতি? কেমন, সুখ?

Saturday, 12 September 2015

তিনি কহিলেন... পার্ট ৪



“তিনি কহিলেন”-এর অন্যান্য অংশগুলো – পার্ট-1 | পার্ট-2 | পার্ট-3



ধপাস দেখতে দেখতে কিরকম তরতরিয়ে বড় হয়ে যাচ্ছে...


যুক্তি সাজিয়ে নিজের ভিউ-পয়েন্ট খাড়া করে – না ঝগড়া না, রীতিমতন বাক্যবাগিশ তর্কালঙ্কারের মতন করে নেগোশিয়েট করে দাপটের সাথে। আমাকে কম্পিউটারে বসতে দেখলেই সরিয়ে দিয়ে নিজে নিজেই ইউটিউব খোলে, তারপর ঘন্টার পর ঘন্টা প্যাপা-পিগ, মিস্টার-মেকার আর প্লে-ডো ভিডিও... জামাকাপড় থেকে টিফিনের মেনু, ম্যাচিং জুতো থেকে বেড়াতে যাওয়ার গন্তব্য, এমনকি সিনেমা দেখতে গিয়ে ইন্টারভেলের পপকর্ণের ফ্লেভার পর্যন্ত ওর ডিসিশনে চলছে আজকাল। এইতো সেদিন, দোকানে গিয়ে কি একটা পছন্দ করেছে, বারণ করায় বলে – “আমি তোমাদের এতো কিছু কিনে দি, তোমরা আমাকে এইটুকু একটা জিনিস কিনে দিতে চাইছনা?” স্কুল থেকে ফিরে চোখ বড় বড় করে গল্প বলে – “আজ যা একটা ঘটনা ঘটেছে না, তুমি তো কল্পনাই করতে পারবেনা!!” অনির্বাণের কোন পাগলামি দেখলে মাথা চাপড়ে বলে – “বাবার মাথাটা পুরো গেছে, আমি আর কিছু করতে পারব না!” আর পান থেকে চুন খসলেই আমার ফোনটা নিয়ে নিজে নিজেই নম্বর ডায়াল করে আমার মা-বাবাকে ফোন করে আমার নামে নালিশ করা, সেসব তো আছেই...

Sunday, 6 September 2015

তিনি কহিলেন... পার্ট ৪

“তিনি কহিলেন”-র অন্যান্য অংশগুলো – পার্ট-1 | পার্ট-2 | পার্ট-3



ধপাস দেখতে দেখতে কিরকম তরতরিয়ে বড় হয়ে যাচ্ছে...


যুক্তি সাজিয়ে নিজের ভিউ-পয়েন্ট খাড়া করে – না ঝগড়া না, রীতিমতন বাক্যবাগিশ তর্কালঙ্কারের মতন করে নেগোশিয়েট করে দাপটের সাথে। আমাকে কম্পিউটারে বসতে দেখলেই সরিয়ে দিয়ে নিজে নিজেই ইউটিউব খোলে, তারপর ঘন্টার পর ঘন্টা প্যাপা-পিগ, মিস্টার-মেকার আর প্লে-ডো ভিডিও... জামাকাপড় থেকে টিফিনের মেনু, ম্যাচিং জুতো থেকে বেড়াতে যাওয়ার গন্তব্য, এমনকি সিনেমা দেখতে গিয়ে ইন্টারভেলের পপকর্ণের ফ্লেভার পর্যন্ত ওর ডিসিশনে চলছে আজকাল। এইতো সেদিন, দোকানে গিয়ে কি একটা পছন্দ করেছে, বারণ করায় বলে – “আমি তোমাদের এতো কিছু কিনে দি, তোমরা আমাকে এইটুকু একটা জিনিস কিনে দিতে চাইছনা?” স্কুল থেকে ফিরে চোখ বড় বড় করে গল্প বলে – “আজ যা একটা ঘটনা ঘটেছে না, তুমি তো কল্পনাই করতে পারবেনা!!” অনির্বাণের কোন পাগলামি দেখলে মাথা চাপড়ে বলে – “বাবার মাথাটা পুরো গেছে, আমি আর কিছু করতে পারব না!” আর পান থেকে চুন খসলেই আমার ফোনটা নিয়ে নিজে নিজেই নম্বর ডায়াল করে আমার মা-বাবাকে ফোন করে আমার নামে নালিশ করা, সেসব তো আছেই...

Tuesday, 3 March 2015

এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি...

বাংলাদেশ নিয়ে, কেন জানিনা, চিরকালই মনের মধ্যে একটা ফ্যান্টাসি ছিল। তার একটা কারণ সম্ভবত ছোটবেলা থেকে পাড়ায় ক্লাবে বা আড্ডায় ওই বাঙ্গাল-ঘটি, ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগান, ইলিশ-চিংড়ি বা পদ্মা-গঙ্গা (প্রাকৃতিক সৌন্দর্য নয়, ইলিশের স্বাদ বিষয়ক) নিয়ে নিয়মিত খুনসুটি আর ঝগড়াঝাঁটি। আর তাছাড়া বয়স্ক লোকজন কখনো জিগ্যেস করলে নিয়মমাফিক চেনা উত্তরটা দিয়ে দেওয়া, যে হ্যাঁ, আমার বাবা মা দু'পক্ষই আদতে ও'দেশের, আর অতঃপর "ওদেশের কোথায়?"-এর উত্তরে হেথায় ও সেথায়, ইত্যাদি।

বাংলাদেশ ছুঁয়ে দেখিনি কোনদিন। টাকি থেকে নদীর ধারে রেলিং ধরে দাঁড়িয়ে ইছামতী দেখেছি বড়জোর, আর শুনেছি ওপারেই নাকি বাংলাদেশ। এই অবধিই আমার দৌড় আটকে থেকেছে। 

Sunday, 1 March 2015

আজকের খবরে অভিজিৎ মৃত। কালকের খবরে অভিজিৎ মৃত্যুঞ্জয় হয়ে উঠুক!

অভিজিত রায়, একজন মার্কিন নিবাসী বাঙালী লেখক, এক “মুক্ত-মনা” চিন্তাধারার লেখক এবং প্রতিষ্ঠাতা, গত ২৬-শে ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যেবেলা, অর্থাৎ আজ থেকে ঠিক তিনদিন আগে, বাংলাদেশের একুশে বইমেলা থেকে পায়ে হেঁটে নিজের বাড়ি ফেরার পথে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস এবং নিকটবর্তী পুলিশ স্টেশনের থেকে ঢিল ছোঁড়া দুরত্বে, জনসমক্ষে চপার দিয়ে কুপিয়ে খুন হয়েছেন। তাঁর স্ত্রী রাফিদা আহমেদ বন্যা , যিনি যেটুকু পরিচয় সোশ্যাল মিডিয়ায় ভেসে আসছে তার পরিপ্রেক্ষিতে বলতে গেলে সার্থকঅর্থেই অভিজিৎ বাবুর সহধর্মিণী, তিনি প্রাণে বেঁচে গেছেন কিন্তু গুরুতর আহত।

Sunday, 22 February 2015

Epitaph


- তুমি সুখ উপলব্ধি করেছ?

- করেছি তো।

- সত্যি বলছ?

Wednesday, 17 December 2014

আমার সন্তান যেন থাকে দুধে-ভাতে

বরং -

বর্ম খুলে রাখব তোমার পায়ে,
বা যদি চাও, 
ঈশ্বর ডাকো যাকে।
ঘুণাক্ষরেও বুঝতে দেবো না, জেনো -
ঈশ্বর মানিনা আমি, 
শুধু মানি - আপনাকে।

Friday, 12 December 2014

অতলের পথে...

অন্তর্নিহিত শূন্যতাই হোক 
অথবা, অতল খাদ।

ডুবুরিদের বোলো,

শ্বাস চেপে তুলে আনে যেন 
প্রাণ -
নির্মোহ, নিস্পন্দ,
ঝিনুক আঁটা মুক্তোর মতো, স্থির।

Saturday, 25 October 2014

ভাইফোঁটা

- তোমাকে ফোঁটা দিলে তুমি কি দেবে?

- কিচ্ছু না...

- সেকি কেন?

Thursday, 24 April 2014

সুমনে...

তথাগত তাঁর নিঃসঙ্গতা দিলেন অস্তরাগে -


কিছুদিন ধরেই ভাবছিলাম কবীর সুমনকে নিয়ে লিখব। জানিনা কেন, এটা যতবার ভেবেছি, সাথে সাথে একটা অদ্ভুত অপরাধবোধ, একটা গ্লানি আমার গলার কাছটায় দলা পাকিয়ে এসেছে। যেন কোন একটা অজ্ঞাত কারণে আমি ব্যাক্তিগতভাবে ওনার কাছে লজ্জিত, ক্ষমাপ্রার্থী। যেন কখনো একটা ঋণ ছিল ওনার কাছে, যেটা আজ অবধি শোধ করে ওঠা হয়নি। পাওনাদারের থেকে পালিয়ে বেড়ানো গোছের একটা সংকোচ অকারণে এবং অদ্ভুতভাবে আমাকে আচ্ছন্ন করে দিয়েছে, আমার হাত সরেনি, কলমের নিব থেকে কালির একটা আঁচড়ও পড়েনি, একটাও কথা মুখ ফুটে লিখে উঠতে পারিনি।